গোমস্তাপুরের রফিকুল হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ
চাঁপাই প্রতিদিন ডেস্কঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের
গোমস্তাপুরে রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় ১
জনের মৃত্যুদন্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম
কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও
দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ
শওকত আলী এই রায় প্রদান করেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী গোমস্তাপুর উপজেলার
কাশরইল এলাকার সমর উরাও এর ছেলে
নিরঞ্জন উরাও।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলো,
একই এলাকার সমর উরাও এর ছেলে গনেশ
উরাও ও দশরথ উরাও, রুবিয়া উরাও এর ছেলে
সাবানু উরাও; মৃত. বিশ্বনাথ উরাও এর ছেলে
বধুয়া উরাও এবং রাইয়া উরাওয়ের ছেলে
সমরা উরাও।
এদিকে দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামী বধুয়া উরাও
এবং সমরা উরাও পলাতক রয়েছে। সরকারী
পক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর
এ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা জানান, ২০১০
সালের ২৩ নভেম্বর রফিকুল ইসলাম জমি
দেখাশুনা ও কাপড়ের ব্যবসার সুবাদে
গোমস্তাপুর উপজেলার কাশরইল গ্রামে
যাতায়াত করতো। ঘটনার দিন ওই এলাকার
একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার সময়
আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধারালো
অস্ত্র দিয়ে সন্ধ্যায় রফিকুলকে জাবাই করে
হত্যা করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গিয়ে
লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত রফিকুলের ভাই আব্দুল জাব্বার
বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় ওই দিনই একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ২০১১ সালের
১২ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্তকারী
কর্মকর্তা এস আই বানী ইসরাইল আদালতে
অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সাক্ষ্য প্রমানাদি শেষে আজ দুপুরে অতিরিক্ত
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ
বিচারক নিরঞ্জন উরাওকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ
ও অপর ৫ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড,
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা,
অনাদায়ে আরো ১ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান
করেন।
সরকারি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর
এ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা এবং আসামী
পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক
খান ও এম এ ওদুদ।
গোমস্তাপুরে রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় ১
জনের মৃত্যুদন্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম
কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও
দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ
শওকত আলী এই রায় প্রদান করেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী গোমস্তাপুর উপজেলার
কাশরইল এলাকার সমর উরাও এর ছেলে
নিরঞ্জন উরাও।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলো,
একই এলাকার সমর উরাও এর ছেলে গনেশ
উরাও ও দশরথ উরাও, রুবিয়া উরাও এর ছেলে
সাবানু উরাও; মৃত. বিশ্বনাথ উরাও এর ছেলে
বধুয়া উরাও এবং রাইয়া উরাওয়ের ছেলে
সমরা উরাও।
এদিকে দন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামী বধুয়া উরাও
এবং সমরা উরাও পলাতক রয়েছে। সরকারী
পক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর
এ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা জানান, ২০১০
সালের ২৩ নভেম্বর রফিকুল ইসলাম জমি
দেখাশুনা ও কাপড়ের ব্যবসার সুবাদে
গোমস্তাপুর উপজেলার কাশরইল গ্রামে
যাতায়াত করতো। ঘটনার দিন ওই এলাকার
একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার সময়
আসামীরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধারালো
অস্ত্র দিয়ে সন্ধ্যায় রফিকুলকে জাবাই করে
হত্যা করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গিয়ে
লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহত রফিকুলের ভাই আব্দুল জাব্বার
বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় ওই দিনই একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ২০১১ সালের
১২ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্তকারী
কর্মকর্তা এস আই বানী ইসরাইল আদালতে
অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
সাক্ষ্য প্রমানাদি শেষে আজ দুপুরে অতিরিক্ত
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ
বিচারক নিরঞ্জন উরাওকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ
ও অপর ৫ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড,
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা,
অনাদায়ে আরো ১ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান
করেন।
সরকারি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন
অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর
এ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা এবং আসামী
পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক
খান ও এম এ ওদুদ।

কোন মন্তব্য নেই