রাজশাহী পবায় নার্স করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন
রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত একজন নার্স (৫০) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সব চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আক্রান্ত নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হেড নার্স। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে কোয়ারেন্টিনে চার সদস্যের পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন।
ইউএনও শাহাদাত হোসেন বলেন, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় গত ২৩ এপ্রিল ওই নার্সের নমুনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ল্যাবে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। নার্সের শারীরিক অবস্থা ভালো থাকায় আপাতত তাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হবে। তার পরিবারের সদস্য এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক মঙ্গলবার রাতে জানান, জেলায় নতুন করে চারজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন মোহনপুরের, একজন তানোর এবং অপরজন পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স।
প্রসঙ্গত গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীতে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত জেলায় ১২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে জেলার বাঘা উপজেলার বাসিন্দা একজন বৃদ্ধ (৮০) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আক্রান্ত নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হেড নার্স। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে কোয়ারেন্টিনে চার সদস্যের পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন।
ইউএনও শাহাদাত হোসেন বলেন, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় গত ২৩ এপ্রিল ওই নার্সের নমুনা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ল্যাবে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর পরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। নার্সের শারীরিক অবস্থা ভালো থাকায় আপাতত তাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হবে। তার পরিবারের সদস্য এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক মঙ্গলবার রাতে জানান, জেলায় নতুন করে চারজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন মোহনপুরের, একজন তানোর এবং অপরজন পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স।
প্রসঙ্গত গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীতে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত জেলায় ১২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে জেলার বাঘা উপজেলার বাসিন্দা একজন বৃদ্ধ (৮০) মারা গেছেন।

কোন মন্তব্য নেই