সোনামসজিদে ভারতীয় পণ্যভর্তি ট্রাক উল্টে চালক-হেলপার আহত
চাঁপাই প্রতিদিন ডেস্কঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ১নং গেটের প্রবেশ দ্বারেই ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যভর্তি একটি ট্রাক উল্টে চালক ও হেলপার আহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি সিএনজি দুমড়ে মুচড়ে যায়। জানাগেছে, সোমবার সন্ধ্যার পর ভারত থেকে আমদানিকৃত প্রায় ৪৫ মেট্রিক টন (ভূষি) পণ্যভর্তি WB76A-6701 নম্বরের একটি ট্রাক পানামার প্রথম গেটের বাঁকের উপরেই ঘুরাতে গেলে রাস্তার ডান দিক ঢালু থাকায় ট্রাক উল্টে যায়। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি সিএনজি ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে। সিএনজির কেউ হতাহত না হলেও ভারতীয় ট্রাক চালক রাজেশ আলী (৩৫) ও হেলপার আহত হয়। আহত রাজেশ আলীর বাড়ি, ভারতের মালদার নরেন্দ্রপুর এলাকায়।
সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশিদ ও মহদিপুর স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ভূপতি মন্ডল পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে জানায়, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে জিরো পয়েন্ট থেকে পানামার প্রথম গেট পর্যন্ত রাস্তাটি ট্রাক চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে হারুন অর রশিদ জানান, ভারতীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ট্রাক মালিকেরা লক্কড়-ঝক্কড় ট্রাক দিয়ে পণ্য রপ্তানি করার কারণে প্রায় দিনই ২-৩টি করে ভারতীয় ট্রাক বিকল হয়ে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি করে। কোন সময় অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের কারণে বাঁকের উপর ট্রাক উল্টে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ট্রাকের ৪৫ মেট্রিক টন মালামাল খালাস করলেও মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ক্রেনের অভাবে ট্রাকটি সরাতে পারেনি পানামা কর্তৃপক্ষ। তবে বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা ভারতীয় ওইসব লক্কড়-ঝক্কড় ট্রাকে মালামাল পরিবহন না করার জন্য নিষেধ করলেও ভারতীয় ট্রাক মালিকেরা তা তোয়াক্কা করে না।
এছাড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্রাকের পণ্য পরিবহনের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি পণ্য নিয়ে আসে ভারতীয় ট্রাকগুলো। ট্রাক চালকের দায়িত্বহীনতা রাস্তা সংস্কারের ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপদ বিভাগকেও দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও সোনামসজিদ বন্দরে পুলিশ বিভাগের স্থায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভারতীয় ট্রাকগুলোতে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কোন পণ্যভর্তি ট্রাক প্রবেশ করতে না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। অবিলম্বে জিরো পয়েন্ট থেকে পানামার ১নং গেট পর্যন্ত সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তাটি আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীরা।
সোনামসজিদ সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশিদ ও মহদিপুর স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ভূপতি মন্ডল পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে জানায়, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে জিরো পয়েন্ট থেকে পানামার প্রথম গেট পর্যন্ত রাস্তাটি ট্রাক চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে হারুন অর রশিদ জানান, ভারতীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ও ট্রাক মালিকেরা লক্কড়-ঝক্কড় ট্রাক দিয়ে পণ্য রপ্তানি করার কারণে প্রায় দিনই ২-৩টি করে ভারতীয় ট্রাক বিকল হয়ে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি করে। কোন সময় অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের কারণে বাঁকের উপর ট্রাক উল্টে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ট্রাকের ৪৫ মেট্রিক টন মালামাল খালাস করলেও মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ক্রেনের অভাবে ট্রাকটি সরাতে পারেনি পানামা কর্তৃপক্ষ। তবে বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা ভারতীয় ওইসব লক্কড়-ঝক্কড় ট্রাকে মালামাল পরিবহন না করার জন্য নিষেধ করলেও ভারতীয় ট্রাক মালিকেরা তা তোয়াক্কা করে না।
এছাড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্রাকের পণ্য পরিবহনের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি পণ্য নিয়ে আসে ভারতীয় ট্রাকগুলো। ট্রাক চালকের দায়িত্বহীনতা রাস্তা সংস্কারের ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপদ বিভাগকেও দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও সোনামসজিদ বন্দরে পুলিশ বিভাগের স্থায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভারতীয় ট্রাকগুলোতে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কোন পণ্যভর্তি ট্রাক প্রবেশ করতে না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। অবিলম্বে জিরো পয়েন্ট থেকে পানামার ১নং গেট পর্যন্ত সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তাটি আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীরা।

কোন মন্তব্য নেই